১৪ এপ্রিল, ২০২৪
১ বৈশাখ, ১৪৩১

স্বর্ণ চোরাচালান: প্রতিপক্ষের গুলিতে চাচা-ভাতিজা নিহত

ঝিনাইদহ : স্বর্ণ চোরাচালান দ্বন্দ্বে ঝিনাইদহের মহেশপুরে প্রতিপক্ষের গুলিতে দুজন নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৭ জানুয়ারি) বিকfলে উপজেলার নেপা ইউনিয়নের বাগাডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মৃতরা হলেন, শমীম হোসেন (৩৩) ও মন্টু মিয়া (৩২)। শামীম বাগাডাঙ্গা পল্লিআইট গ্রামের সামছুর রহমানের ছেলে ও মন্টু মিয়া একই গ্রামের নয়ন মণ্ডলে ছেলে। তারা সম্পর্কে চাচা-ভাতিজা ছিলেন।

এ ঘটনায় শামীমের বাবা শামসুল হক গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে এ ঘটনায় এখনও কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পূর্ব বিরোধের জেরে বাঘাডাঙ্গা গ্রামের তরিকুল নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে বিরোধ ছিল শামীম হোসেন, রাফি ও মন্টু মণ্ডলের। এ বিরোধের জেরে বুধবার বিকালে মন্টু ও শামিম আকালের বাড়িতে হামলা করে। এসময় তরিকুল দৌড়ে বাড়ির ছাদে উঠে গুলি করে। গুলিতে মন্টু ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এসময় স্থানীয়রা আহত শামীম ও তার বাবা শামসুলকে উদ্ধার করে মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য ওবাইদুর ইসলাম ও নারী ইউপি সদস্য ছায়েরা খাতুন জানান, কিছুদিন আগে শামীমের মাদকের চালান ধরিয়ে দেয়াকে কেন্দ্র করে পল্লিআইট গ্রামের শামীম ও তরিকুলের মধ্যে মারামারি হয়। পরে শামীমের মামলায় তরিকুলকে জেল খাটতে হয়। দুদিন আগে তরিকুল জেল থেকে জামিনে ফিরলেও শামীম গ্রুপের কারণে বাড়ি থেকে বের হতে পারছিলেন না। বুধবার বিকালে শামীম তার দলবল নিয়ে তরিকুলের বাড়িতে হামলা চালায়।

নেপা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শামসুল আলম জানান, এরা সবাই চোরাকারবারি। প্রায়ই তরিকুল, শামীম, মন্টু ভারতের যেতেন। এ বিরোধে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহমুদ বিন হেদায়েত বলেন, শামীমকে আমরা মৃত অবস্থায় পেয়েছি। তার বুকে গুলির চিহ্ন আছে। তার বাবা শামসুলকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুর রহমান জানান, হামলাকারীরা সবাই স্বর্ণচোরা কারবারের সঙ্গে জড়িত। এ নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

Scroll to Top