১৮ এপ্রিল, ২০২৪
৫ বৈশাখ, ১৪৩১

কেন্দ্রে না জানিয়েই নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন জাপা প্রার্থীরা

মিরর ডেস্ক : দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে সরকার গঠনের প্রত্যয়সহ গরম গরম কথা বললেও সময় যত ঘনিয়ে আসছে ততই জাতীয় সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টির বাস্তব চিত্র উঠে আসছে। নির্বাচনে জাপার যে ২৬৫ প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন তার মধ্যে ১৫০টিরও বেশি আসনে জামানত হারানোর ঝুঁকিতে পড়তে যাচ্ছে দলটি। ইতিমধ্যে জামানাত হারানোর ভয়ে বিভিন্ন আসন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন একাধিক প্রার্থী। এর বাইরেও অনেকেই নিষ্ক্রিয় হয়ে ঘোষণা না দিয়েই নির্বাচন থেকে সরে গেছেন। রবিবার পর্যন্ত প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে কিংবা নীরবে প্রায় শতাধিক প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

যারা নির্বাচন থেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করছেন, তারা জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা বা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদেরও জানাচ্ছেন না।

রবিবার বছরের শেষ দিনে বরিশাল-২ ও ৫ আসনের জাপা প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস এবং বরগুনা-১ আসনের প্রার্থী খলিলুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। বরিশাল নগরীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘোষণা দেন তারা। একই দিন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন গাজীপুর-১ ও ৫ আসনের প্রার্থী সাবেক স্বাস্থ্য সচিব এমএম নিয়াজউদ্দিন। তিনিও সংবাদ সম্মেলন করে বিষয়টি দুই-এক দিনের মধ্যে জানাবেন। শুধু তাপস কিংবা খলিল নয়, এখন পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে মো. শাহানুল করিম, সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের জাকির হোসেনসহ আরও ১০-১২ জন নির্বাচন থেকে ঘোষণা দিয়ে সরে দাঁড়িয়েছেন।

বরগুনা-১ আসন থেকে সরে দাঁড়ানো খলিলুর রহমান বলেন, ‘আমরা নির্বাচনী মাঠে থাকতাম কিন্তু জাপার মতো বড় একটি দলকে মাত্র ২৬টি সিট দিয়ে নির্বাচন হতে পারে না। এর মধ্যে অনেক প্রার্থীর পোস্টারে লিখেছেন জাতীয় পার্টি মনোনীত ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত। তারা যদি আওয়ামী লীগ সমর্থিত হন তাহলে আমরা কার? তারা এমন লিখল; এ নিয়ে নানা প্রশ্ন শুনতে হচ্ছে? আবার কেউ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনারও ছবিও লাগিয়েছে। এখন পাবলিক ভোট দিতে চাচ্ছে না। তাই আমি সরে দাঁড়িয়েছি।’

জাপার দপ্তর সম্পাদক এমএ রাজ্জাক খান বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নির্বাচনের মাঠে থাকা প্রার্থীর সংখ্যা ২০০-এর নিচে নেমে গেছে। আগামী দিনে তা আরও কমতে পারে।’

Scroll to Top