১৫ এপ্রিল, ২০২৪
২ বৈশাখ, ১৪৩১

কুমিল্লাকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত বরিশালের

মিরর স্পোর্টস : কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল ফরচুন বরিশাল।

দারুণ বোলিংয়ে কুমিল্লাকে নাগালে রেখে জয়ের কাজটা সহজ করে দিয়েছিলেন তাইজুল-সাইফউদ্দিনরা। রান তাড়ায় সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল। ৩ ছক্কা ও ৬ চারের মারে সাজানো ইনিংসে ৪৮ বলে ৬৬ রান করেন তিনি। জিতলে নিশ্চিত হবে প্লে-অফ, আর হারলেও টিকে থাকবে- এমন সমীকরণের ম্যাচে তামিমের ব্যাটে ভর করে কুমিল্লাকে ৬ উইকেটে হারিয়ে চতুর্থ দল হিসেবে শেষ চারে জায়গা নিশ্চিত করল ফরচুন বরিশাল।

কাগজে-কলমে আশা টিকে থাকা খুলনা টাইগার্সের এক ম্যাচ হাতে রেখেই বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে। আজ দিনের পরের ম্যাচে সিলেটের বিপক্ষে তাদের ম্যাচটি কার্যত নিয়মরক্ষায় রূপ নিলো।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) টস জিতে কুমিল্লাকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল বরিশাল। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বরিশালকে ১৪১ রানের লক্ষ্য দেয় কুমিল্লা। জবাব দিতে নেমে দুই বল ও ছয় উইকেট হাতে থাকতেই জয় তুলে নেয় বরিশাল। এতে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করেছে তামিম-রিয়াদরা। বরিশালের এই জয়ে কপাল পুড়েছে খুলনার। প্লে-অফের লড়াই থেকে ছিটকে গেছে বিজয়ের দল।

ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় বরিশাল। ৭ বলে ১ রান করে আউট হন আহমেদ শেহজাদ। এরপর কাইল মায়ার্সকে সঙ্গে নিয়ে রান তুলতে থাকেন ওপেনার তামিম ইকবাল। দুজনের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে জয়ের পথে এগিয়ে যেতে থাকে বরিশাল।

২৫ বলে ২৫ রান করে আউট হন মায়ার্স। মুশফিক হাসানকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ক্যাচ আউট হন এই ক্যারিবিয়ান ব্যাটার। কিন্তু ৪০ বলে নিজের ফিফটি তুলে নেন তামিম। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন মুশফিক।

২৪ বলে ১৭ রান করে আউট হন মুশফিক। ৪৮ বলে ৬৬ রানের ইনিংস খেলে আউট হন তরমিম। শেষ ১২ বলে বরিশালের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৩ রান।

শেষ পর্যন্ত সৌম্য সরকারের ৬ রান এবং মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ১১ বলে ১২ রানের ইনিংসে ভর করে দুই বল ও ছয় উইকেট হাতে থাকতেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বরিশাল।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের হয়ে দুই উইকেট শিকার করেন মুশফিক হাসান। এ ছাড়াও আন্দ্রে রাসেল ও মোহাম্মদ এনামুল একটি করে উইকেট নেন।

এর আগে টস হেরে কুমিল্লা ব্যাটিংয়ে নামলে দুর্দান্ত বোলিং করে লিটন-নারিনকে চেপে ধরে মিরাজ-তাইজুলরা। ১৮ বলে ১৬ রান করে আউট হলে সুনিল নারিন আউট হলে ১২ বলে ১২ রান করে তাকে সঙ্গ দেন লিটন।

চতুর্থ উইকেটে তাওহীদ হৃদয়কে সঙ্গে নিয়ে রান তুলতে থাকেন মঈন আলী। তবে ইনিংস বড় করতে পারেনি হৃদয়। ২৬ বলে ২৫ রান করে তিনি। এরপর মঈনকে সঙ্গে দেন রাসেল। ২২ বলে ২৩ রান করে মঈন আলী আউট হলে ৯ বলে ১৪ রান করে আউট হন আন্দ্রে রাসেল।

ম্যাথিউ ফোর্ড (০) এবং এনামুল ৩ রান করে আউট হলে ব্যাট চালাতে থাকেন জাকের আলী। শেষ পর্যন্ত জাকেরের ১৭ বলে ৩৮ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে ভর করে আট উইকেট হারিয়ে ১৪০ রানের লড়াকু পুঁজি পেল কুমিল্লা।

Scroll to Top