১৮ এপ্রিল, ২০২৪
৫ বৈশাখ, ১৪৩১

বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে তিনটি সমঝোতা স্মারক সই

ঢাকা : পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে তিনটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। এগুলো হচ্ছে—কুড়িগ্রামে একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা, থিম্পুতে বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট স্থাপন এবং ভোক্তা অধিকার বিষয়ে কারিগরি সহযোগিতা। এছাড়া, সাংস্কৃতিক বিনিময়সংক্রান্ত আরেকটি সমঝোতা স্মারক নবায়ন করা হয়েছে।

সোমবার (২৫ মার্চ) ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এসব সমঝোতা স্মারকে সই করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বাংলাদেশের পক্ষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম শফিকুজ্জামান ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব খলিল আহমেদ এবং ভুটানের পক্ষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তানদিন ওয়াংচুক, বাণিজ্যমন্ত্রী তাশি ওয়াংম্যাক এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেমা চোডেন সমঝোতা স্মারকে সই করেন।

এছাড়া, ভুটানের মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের আসন সংখ্যা ২২ থেকে বাড়িয়ে ৩০টি করার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের ফরেন সার্ভিস একাডেমি সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ভুটানের ফরেন সার্ভিস কর্মকর্তাদের জন্য প্রতি বছর দুটি আসনও প্রস্তাব করা হয়েছে। ভুটানে একটি কূটনৈতিক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট স্থাপনেও বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে। এছাড়া, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে (বিএআরসি) ভুটানের কর্মকর্তাদের তিন বছরের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা ও বন্ধুত্বের বিশেষ নিদর্শন হিসেবে ভুটানের সরকারি কর্মকর্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও দক্ষতা উন্নয়নের জন্য কম্পিউটার ও ল্যাপটপ হস্তান্তর করে বাংলাদেশ।

এর আগে ভুটানের রাজা বঙ্গভবনে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী। সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আগে ভুটানের রাজা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠক করেন। এছাড়াও তাদের দুজনের মধ্যে একটি বৈঠক হবে।

Scroll to Top