১৪ এপ্রিল, ২০২৪
১ বৈশাখ, ১৪৩১

এবার বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে বিবৃতি দিলো অস্ট্রেলিয়া

মিরর ডেস্ক : বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে এবার বিবৃতি দিলো অস্ট্রেলিয়া। দেশটির পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সরকারি ওয়েবসাইটে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এটি দুঃখজনক যে, নির্বাচনটি এমন একটি পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে সমস্ত দল অর্থবহ এবং যথেষ্ট পরিমাণে অংশ নিতে পারেনি। তারা বলছে, যদিও আমরা এই সত্যকে স্বাগত জানাই, লাখ লাখ বাংলাদেশি ভোটার নির্বাচনের দিন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধু দেশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়া নির্বাচনকে সামনে রেখে সংঘটিত সহিংসতা ও রাজনৈতিক বিরোধী দলীয় সদস্যদের গ্রেপ্তার নিয়ে উদ্বিগ্ন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের গুরুত্ব অস্ট্রেলিয়া ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশের কাছে তুলে ধরেছে।

দেশটি বলছে, অস্ট্রেলিয়া সরকার বাংলাদেশ সরকারকে তার গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালীকরণে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে, যা মানবাধিকার সুরক্ষা, আইনের শাসন এবং উন্নয়নের প্রচারকে সমর্থন করে। একটি উন্মুক্ত, স্থিতিশীল, সমৃদ্ধ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অঞ্চলের জন্য আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে ঘনিষ্ঠ অংশীদার হিসেবে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এর আগে, মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ব্রাসেলসে ইইউ সদর দপ্তর থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে সব বড় দল অংশ না নেওয়ায় হতাশা প্রকাশ করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। সেই সঙ্গে সকল নির্বাচনী অনিয়মের সময়োপযোগী ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

একই দিন বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে কানাডা। দেশটি বলছে, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার যে নীতির ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, এই নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সেই নীতি মানা হয়নি।

অপরদিকে, জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিকও কথা বলেছেন নির্বাচন নিয়ে। তিনি নির্বাচন ঘিরে সহিংসতার রিপোর্ট নিয়ে জাতিসংঘ মহাসচিব উদ্বিগ্ন বলে জানান। স্টিফেন ডুজারিক বলেন, মহাসচিব সকল পক্ষকে সব ধরনের সহিংসতা প্রত্যাখ্যান করতে এবং প্রত্যেকের মানবাধিকার এবং আইনের শাসনে সবার প্রবেশাধিকারকে পুরোপুরি সম্মানিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। এটি বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির সুসংহতকরণের জন্য অপরিহার্য। আমরা যে সহিংসতা দেখেছি, তার রিপোর্ট নিয়ে তিনি (মহাসচিব) অবশ্যই উদ্বিগ্ন।

Scroll to Top