১৩ এপ্রিল, ২০২৪
৩০ চৈত্র, ১৪৩০

সিলেটকে হারিয়ে চট্টগ্রামের শুভসূচনা

মিরর স্পোর্টস : টান টান উত্তেজনার ম্যাচ না হলে কী আর টুর্নামেন্ট জমে? বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) উদ্বোধনী দিনে দারুণ এক প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ উপহার দিয়েছে সিলেট স্ট্রাইকার্স ও চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। যেখানে শেষ হাসি হেসেছে চ্যালেঞ্জার্সরা।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে দুই উইকেটে ১৭৭ রান সংগ্রহ করে সিলেট স্ট্রাইকার্স। জবাবে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স ৭ উইকেট হাতে রেখে লক্ষ্যে পৌঁছায়। হাতে ছিল আরো ৯ বল।

চট্টগ্রামের হয়ে রান তাড়া করতে নামেন তানজিদ তামিম ও আভিষ্কা ফার্নান্দো। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে রিচার্ড এনগারাভার শিকার হন তামিম। পুল করতে গিয়ে হ্যারি টেক্টরের তালুবন্দী হওয়ার আগে ২ রান করেন এ ওপেনার।

দ্বিতীয় উইকেটে ৪৩ রান যোগ করেন আভিষ্কা ও ইমরানুজ্জামান। তিন বলের ব্যবধানে দুজনই আউট হন। প্রথমে নাজমুল ইসলাম অপুর বলে ৩৯ রানে বোল্ড হন আভিষ্কা। আর আক্রমণে এসে নিজের প্রথম বলেই ইমরানুজ্জামানকে শিকার করেন মাশরাফী।

৫৯ রানে তিন উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়েছিল চট্টগ্রাম। তবে সেখান থেকে ম্যাচের গতিপথ পাল্টে দেন শাহাদাত হোসেন দীপু ও নাজিবুল্লাহ জাদরান। এ দুজনের পাল্টা আক্রমণে কোণঠাসা হয়ে পড়ে মাশরাফীর দল।

শেষ পর্যন্ত ১২১ রানের অবিচ্ছেদ্য জুটি গড়ে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন জাদরান ও দীপু। উভয় ব্যাটার পান ফিফটির দেখা। শেষ পর্যন্ত দীপু ৫৭ ও জাদরান ৬১ রানে অপরাজিত ছিলেন।

এর আগে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন চট্টগ্রাম অধিনায়ক শুভাগত হোম। সিলেটের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নেমে দারুণ সূচনা এনে দেন মোহাম্মদ মিথুন ও নাজমুল হোসেন শান্ত। উদ্বোধনী জুটিতে দুজন যোগ করেন ৬৭ রান।

ইনিংসের নবম ওভারে নিহাদুজ্জামানের বলে সাজঘরে ফেরেন শান্ত। এর আগে ৩০ বলে ৩৬ রান করেন তিনি। আরেক ওপেনার মিথুন ছিলেন ফিফটির পথে। তবে দ্বাদশ ওভারে কার্টিস ক্যাম্ফারের বলে ৪০ রানে আউট হন এ ব্যাটার।

দুই ওপেনার ফিফটি না পেলেও ঠিকই অর্ধশতকের দেখা পান জাকির হাসান। ৩১ বলে মাইলফলকে পৌঁছান তিনি। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন হ্যারি টেক্টর। শেষ পর্যন্ত এ দুই ব্যাটার অপরাজিত থাকেন যথাক্রমে ৭০ ও ২৬ রানে।

Scroll to Top