১৪ এপ্রিল, ২০২৪
১ বৈশাখ, ১৪৩১

ইন্ডিয়া জোট ছাড়লেন মমতা

মিরর ডেস্ক : পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাফ জানিয়ে দিলেন, কারও সঙ্গে সম্পর্ক নেই তার। পশ্চিমবঙ্গে একাই লড়বেন বলে তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ইন্ডিয়া জোটের শরিক সিপিএম-এর ভূমিকা নিয়ে আগেই প্রশ্ন তুলেছিলেন মমতা, এবার সরাসরি নিশানা করলেন কংগ্রেসকে। তার সব প্রস্তাবই নাকি প্রত্যাখ্যান করছে কংগ্রেস। আর তাতে বেজায় ক্ষুব্ধ তৃণমূল নেত্রী। তাই পশ্চিমবঙ্গে  অন্তত জোটের পথে হাঁটছেন না তিনি।

মঙ্গলবারই কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী দাবি করেছিলেন, তার সঙ্গে মমতার ব্যক্তিগত সম্পর্ক খুবই ভালো, দলের সম্পর্কও ভালো। এই বক্তব্যের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মমতার বক্তব্যে প্রকাশ পেলো তীব্র ক্ষোভ।
‘ভারত জোড় ন্যায় যাত্রা’-তে রাজ্যে আসছেন রাহুল গান্ধী। আগামী ২৮ ও ২৯ জানুয়ারি উত্তরবঙ্গে থাকার কথা রয়েছে তার।

মমতা জানিয়েছেন, রাহুলের এ রাজ্যে আসার কথাও তাকে জানায়নি কংগ্রেস। তিনি বলেন, ‘জোটের শরিক হিসেবে সৌজন্যের খাতিরেও তো জানাতে পারত, দিদি আপনার রাজ্যে যাচ্ছি। না জানায়নি।’

এদিন মমতা বলেন, যে দিন থেকে আমাদের সব প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে, সে দিন থেকে সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা একা লড়ব। আমাদের সঙ্গে বাংলার ব্যাপারে কোনও সম্পর্ক নেই। সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে কী করব, না করব সে ব্যাপারে ভোটের পর সিদ্ধান্ত নেব। আমরা নিরপেক্ষ দল। আমরা বিজেপিকে হারানোর জন্য যা করার করব।

কংগ্রেসকে খোঁচা দিয়ে মমতার এদিনের মন্তব্যের পর তড়িঘড়ি ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামে কংগ্রেস শিবিরও। জয়রাম রমেশ যেমন স্পষ্ট বলে দিয়েছেন, ‘মমতাজিকে ছাড়া আমরা ইন্ডিয়া জোট কল্পনাও করতে পারি না।’ তার বক্তব্য, মমতা চাইছেন বিজেপিকে হারাতে। সেই ভাবনা নিয়েই ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা বাংলায় ঢুকবে।

জয়রাম রমেশের কথায়, ‘পথ লম্বা হলে, কখনও রাস্তায় স্পিড ব্রেকার আসবে, ট্র্যাফিক সিগনাল লাল হবে। কিন্তু তার মানে এটা নয় আমরা পথ চলা বন্ধ করে দেব।

Scroll to Top