২৩ মে, ২০২৪
৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১
Mirror Times BD

‘ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া মধ্যপ্রাচ্য স্থিতিশীল হবে না’

মিরর ডেস্ক : ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা আসবে না বলে মন্তব্য করেছেন ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র নাবিল আবু রুদেইনেহ। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করার পরই বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) তার এমন মন্তব্য এসেছে। তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি এই খবর জানিয়েছে।

ফিলিস্তিনির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, নাবিল আবু রুদেইনহে বৃহস্পতিবার বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা অর্জনের জন্য পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন।

নাবিল আবু রুদেইনেহ’র মন্তব্যের আগে একইদিন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছিলেন, গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শেষ হওয়ার পর সেখানে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার যে কোনও পদক্ষেপের বিরোধিতা করেন তিনি।
নেতানিয়াহুর মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় আবু রুদেইনেহ বলেছেন, ‘ফিলিস্তিনি জনগণ ও তাদের বৈধ অধিকারের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর আগ্রাসী নীতি পুরো অঞ্চলটি আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিয়েছে।’

এসময় তিনি জোর দিয়ে বলেছিলেন,‘এই অঞ্চল এবং বিশ্বে স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার করার ইচ্ছা পোষণ করে থাকলে আন্তর্জাতিক শক্তিকে ১৯৬৭ সালের ৪ জুনে সীমান্তে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিতে হবে এবং পূর্ব জেরুজালেমকে স্বীকৃতি দিতে হবে এর রাজধানী হিসেবে।’

আবু রুদেইনেহ বলেছেন, নেতানিয়াহুর একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবকে প্রত্যাখ্যান করার বিবৃতি এটি ‘নিশ্চিত করে, এই সরকার সমগ্র অঞ্চলকে অতল গহ্বরে ঠেলে দিতে বদ্ধপরিকর।’

তিনি আরও বলেন, ‘ফিলিস্তিনি জনগণ এবং তাদের লড়াইয়ের ন্যায্য কারণই জয়ী হবে এবং কেউ তাদের অতিক্রমম করতে পারবে না।’

৭ অক্টোবর হামাসের আন্তসীমান্ত আক্রমণের পর থেকে গাজা উপত্যকায় নিরলস বিমান ও স্থল হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল। হামাসের ওই হামলায় এক হাজার ২০০ ইসরায়েলি নিহত হওয়ার দাবি করেছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।

ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের মতে, ইসরায়েলের পাল্টা হমালায় গাজায় এখন পর্যন্ত অন্তত ২৪ হাজার ৬২০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। নিহতদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। এ হামলায় আহত হয়েছে আরও ৬১ হাজার ৮৩০ জন।

জাতিসংঘের মতে, ইসরায়েলি আক্রমণের ফলে খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং ওষুধের তীব্র ঘাটতির মধ্যেই অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছে গাজার মোট জনসংখ্যার ৮৫ শতাংশ। ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে অঞ্চলটির ৬০ শতাংশ  অবকাঠামো।

⠀শেয়ার করুন

⠀আরও দেখুন

Scroll to Top